বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মের সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু সত্যিকারের লয়্যালটি প্রোগ্রাম মাত্র হাতেগোনা কয়েকটিতে আছে। SuperAce-এর পুরস্কার প্রোগ্রামটা এই ক্ষেত্রে সত্যিই আলাদা — কারণ এটা শুধু কাগজে-কলমে নয়, বাস্তবে খেলোয়াড়দের হাতে মূল্য পৌঁছে দেওয়ার জন্য তৈরি। খুলনার চা বাগান থেকে ঢাকার ব্যস্ত রাস্তা — সারাদেশে হাজার হাজার SuperAce সদস্য প্রতিদিন পয়েন্ট জমাচ্ছেন এবং সেই পয়েন্ট দিয়ে ক্যাশ বা ফ্রি স্পিন পাচ্ছেন।
পয়েন্ট অর্জনের ব্যাপারটা সহজ। প্রতি ৳১০০ বেটে ন্যূনতম ১০ পয়েন্ট মেলে। ক্রিকেট বেটিংয়ে এটা দ্বিগুণ হয়ে ২০ পয়েন্ট হয়, আর লটারিতে ৩০ পয়েন্ট। বাংলাদেশের মানুষ ক্রিকেটকে যেভাবে ভালোবাসে, SuperAce সেটাকে বাড়তি সুবিধায় পরিণত করেছে — টাইগারদের প্রতিটি ম্যাচে বেট করা মানে দ্বিগুণ হারে পয়েন্ট জমানো। এই কারণে ক্রিকেট মৌসুমে অনেক সদস্য খুব দ্রুত উপরের স্তরে উঠে যান।
লয়্যালটি স্তর বা VIP টায়ার সিস্টেমটা সুচিন্তিত। ব্রোঞ্জ থেকে শুরু করে ডায়মন্ড পর্যন্ত পাঁচটি স্তর আছে। প্রতিটি স্তরে পয়েন্ট মাল্টিপ্লায়ার বাড়ে — মানে উপরে উঠলে একই পরিমাণ বেটে বেশি পয়েন্ট মিলবে। ডায়মন্ড স্তরে পয়েন্ট দ্বিগুণ গতিতে জমে, উইথড্রয়াল তাৎক্ষণিক এবং প্রতি মাসে ৳৫০,০০০ পর্যন্ত বোনাস পাওয়া যায়। ঢাকার একজন গোল্ড VIP সদস্য সম্প্রতি জানিয়েছেন যে শুধু মাসিক পয়েন্ট ক্যাশব্যাক থেকেই তিনি প্রতি মাসে বেশ ভালো পরিমাণ পাচ্ছেন।
রিওয়ার্ড স্টোরটা SuperAce-এর একটা বিশেষ ফিচার। এখানে পয়েন্ট দিয়ে শুধু ক্যাশ নয় — ফ্রি স্পিন, লটারি টিকেট, ক্রিকেট বেট বুস্ট বা এমনকি ব্র্যান্ডেড মার্চেন্ডাইজও রিডিম করা যায়। যারা ক্যাশ ছাড়াও অন্য পুরস্কার চান, তাদের জন্য এই বৈচিত্র্য অনেক আকর্ষণীয়। খুলনার লাকি ড্র টেবিলের মতো — SuperAce-এর রিওয়ার্ড স্টোরেও প্রতিটি অফারে আলাদা একটা রোমাঞ্চ আছে।
মাসিক লিডারবোর্ড প্রতিযোগিতাটা বিশেষভাবে উত্তেজনাপূর্ণ। প্রতি মাসে মোট ৳৩,০০,০০০-এর বেশি পুরস্কার শীর্ষ পয়েন্টধারীদের মধ্যে ভাগ হয়। শীর্ষ ১০ জনই পুরস্কার পান — প্রথম স্থানে ৳৮০,০০০ পর্যন্ত। এই প্রতিযোগিতাটা স্বাস্থ্যকর একটা উৎসাহ তৈরি করে। যে মাসে বাংলাদেশের কোনো বড় ক্রিকেট সিরিজ থাকে, সেই মাসে লিডারবোর্ড প্রতিযোগিতা আরও জমে ওঠে।
অ্যাচিভমেন্ট ব্যাজ সিস্টেমটা গেমিফিকেশনের একটা চমৎকার উদাহরণ। প্রতিটি বিশেষ কাজ — যেমন ৩০ দিন টানা লগইন, ১০ জন বন্ধু রেফার বা ১০০টি ক্রিকেট বেট — পূরণ করলে ব্যাজ মেলে এবং সাথে বোনাস পয়েন্ট। এই ব্যাজগুলো প্রোফাইলে দেখা যায়, ফলে অন্যরাও দেখতে পায় আপনি কতটা অভিজ্ঞ। SuperAce-এ দীর্ঘদিন ধরে থাকা সদস্যদের প্রোফাইলে অনেক ব্যাজ জমে যায়, যা একটা গর্বের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।
পয়েন্ট কখনো মেয়াদ শেষ হয় না — এটা SuperAce-এর একটা বড় সুবিধা। অনেক প্ল্যাটফর্মে ৩ বা ৬ মাসে পয়েন্ট বাতিল হয়ে যায়। SuperAce-এ পয়েন্ট জমানো চলে এবং বড় পুরস্কারের জন্য সংরক্ষণ করা যায়। কেউ যদি একটি স্মার্টফোন রিওয়ার্ড পেতে চান, তাহলে ৫০,০০০ পয়েন্ট জমতে কিছুটা সময় লাগবে কিন্তু সেই পয়েন্ট মিলে যাবেই — কারণ মেয়াদ নেই।
ফুটবলপ্রেমীদের জন্যও SuperAce-এ আলাদা সুযোগ আছে। EPL বা চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে বেট করলে পয়েন্ট তো মিলবেই, তার উপর স্পোর্টস বেটিং পেজে গিয়ে বিভিন্ন ম্যাচের অডসও দেখা যাবে। ঢাকার ফুটবলপ্রেমীরা EPL-এর ম্যাচগুলো নিয়ে কতটা উৎসাহী সেটা আমাদের জানা — SuperAce সেই উৎসাহকে পয়েন্টে পরিণত করার সুযোগ দেয়।
মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে বেট করলে সব পয়েন্টের উপর ১০% বাড়তি পয়েন্ট পাওয়া যায়। বাংলাদেশে এখন বেশিরভাগ মানুষ মোবাইলেই সব কাজ করেন — তাই SuperAce অ্যাপ ব্যবহারকারীদের এই বাড়তি পুরস্কার দেওয়া হয়। দৈনিক লগইন, প্রতিদিনের ক্লেইম বাটন এবং পুশ নোটিফিকেশনের সুবিধা সব মিলিয়ে অ্যাপটি একটু বেশি ব্যবহার করলে পয়েন্ট অনেক দ্রুত জমে।
সামগ্রিকভাবে SuperAce-এর পুরস্কার প্রোগ্রাম এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে নতুন থেকে অভিজ্ঞ — সবাই উপকৃত হন। প্রথম দিন থেকেই পয়েন্ট জমানো শুরু হয়, বিশেষ অ্যাচিভমেন্ট ব্যাজ পাওয়া যায় এবং লিডারবোর্ডে উপরে উঠলে বড় পুরস্কার মেলে। এই পুরো প্রোগ্রামটা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং যেকোনো নিবন্ধিত সদস্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে এতে অংশ নেন। SuperAce-এর বোনাস, পুরস্কার এবং প্রোমোশন মিলিয়ে বাংলাদেশে এর চেয়ে সম্পূর্ণ লয়্যালটি অভিজ্ঞতা খুব কমই আছে।